Friday, 4 December 2015

মুম্বাই এর শেষ ম্যাচে জ্বলে উঠল তারা

কলকাতা - ২
মুম্বাই-৩
চেন্নাই এর প্রকৃতি হার মানিয়ে নতুন এক মুম্বাই ফিরে এল কলকাতা স্টেডিয়ামে। গতি, খিদে, জোশ সবকিছুর কাছে পরাস্ত হতেই হল কলকাতাকে। ২-৩ এ জিতে কলকাতার ঘরের মাঠের দর্শকদের কষ্ট দিল হয়ত। কিন্তু নিখাদ ফুটবল উপহার দিল মুম্বাই। তবে কলকাতাও আজ এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ ছিল। গোল পরিশোধও করতে থাকে তারা। কিন্তু খেলার শেষে সনির পা থেকে সেই অসাধারণ গোল দলকে ৩ পয়েন্ট এনে দেয়।
খেলার প্রথম থেকেই কলকাতার আক্রমন ছিল। প্রথমেই দুটি গোলএর সুযোগ হারান হিউম ও দ্যুতি। এরপর বেশ কিছু সুযোগ আসে কলকাতার। ৪৫ মিনিটের কলকাতার হয়ে প্রথম গোল করেন হিউম। ৯০ মিনিটে গোল পান আরাতা। দুর্দান্ত ম্যাচ দেখল কলকাতা স্টেডিয়াম। গ্যাভিলন গোল না পেলেও অসাধারণ খেলেছেন তিনি। তিনি যে কত ভাল ফুটবলার তা বুঝিয়েছেন পরতে পরতে।
মুম্বাই এর হারাবার কিছু ছিল না। টাই প্রথম থেকেই চাপহীন খেলেছেন অ্যাানেলকার ছেলেরা। চেন্নাই এর ওই দুর্যোগকে কাটিয়ে আজই সকালে ফেরেন কলকাতায়। এরপরেও কোনরকম ক্লান্তি ছিল না দলে। বরং বলাই যায় বিশ্রাম পাওয়া পা গুলো অসাধারণ ফুটবল খেলল। খেলার শুরুতেই গোল করেন সানি নর্ডে। এই গোল এ যে গতি ছিল তা কারোর পক্ষেই আটকানো সম্ভব নয়। তবে কলকাতার রক্ষন ভাগ এর জন্য নিজেদের কিছুটা দোষ দেবে নিশ্চয়। অফ সাইডের আশায় যখন গোটা রক্ষন ভাগ দাড়িয়ে যায় সেই সুযোগই নেই সনি। ৮০ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে সুনীল ছেত্রি। এই গোল মুম্বাই এগোলেও সমতায় ফেরান কলকাতা। খেলা যখন প্রায় শেষ ঠিক তখনই সনি নর্ডের গোল দলকে জয়ের মুখ দেখায়। হয়ত মুম্বাই নতুন করে কিছু পাবে এই জয়ে। কিন্তু ভাল ফুটবল দর্শকদের মনে অনেক দিন থকে। সেই সব ম্যাচ থেকেই তৈরি হয় দর্শকদের তারকা। সেইরকম এক দিন উপহার পেল অ্যাানেলকারা।
সেলিম হয়ত হিরো অব দি ম্যাচের তকমা পান কিন্তু এই সম্মান আসতেই পারত সনি নর্ডের কাছে। এই ম্যাচের শেষে ১৪ ম্যাচ থেকে কলকাতা পেল ২৩ পয়েন্ট। মুম্বাই ১৪ ম্যাচ থেকে ১৬ পয়েন্ট।  তবে সব শেষে আজ ধন্যবাদ দিতে জয় এই ম্যাচের সংগঠক দের। যে ভাবে চেন্নাই থেকে মুম্বাই এর দলকে কলকাতায় নিয়ে এল তা অবশ্যই ভারতীয় ফুটবলের জন্য ভাল দিক।



কলকাতার শীর্ষে থাকার লড়াই

চেন্নাইয়ের প্রতিবন্ধকতাকে কাটিয়ে মুম্বাই শহরে। ফলে কলকাতার ঘরের মাঠে সামনাসামনি মুম্বাই ও কলকাতা। দুই দলই চাইবে আজকের ম্যাচ থেকে ৩ পয়েন্ট পেতে। এখনও পর্যন্ত কলকাতা ১৩ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে লীগ তালিকার শীর্ষে। মুম্বাই ১৩ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট। লীগ তালিকার শেষে রয়েছে তারা। । কলকাতা চাইবে শীর্ষ স্থান বজায় রাখতে। অবশ্যই মুম্বাই চাইবে ভাল খেলে এই মরসুম শেষ করতে। অবশ্যই আসব হিউমের কথায়। ইতিমধ্যেই দুটি হ্যাটট্রিক আছে তার। দলের অন্যতম ভারসার জায়গা হিউম। নিশ্চয় আজ নতুন ইতিহাস গড়তে চাইবেন। আছেন সামেঘ দুতি। এই মরসুমে ৩ টি গোল আছে তার। গত ম্যাচে দারুন ভাবে তার উপস্থিতি বুঝিয়েছেন। থাকবেন অর্ণব মণ্ডল। কলকাতা যে ভাবে জ্বলে উঠেছে তাতে নতুন কিছু ইতিহাসের জন্য তাকিয়ে ফুটবল প্রেমিরা। মুম্বাই আজ তাদের খেলা ৩ পয়েন্ট নিয়েই শেষ করতে চাইবে। আছেন সুনীল ছেত্রি। ৬ টি গোল ১ টি অ্যাাসিস্ট আছে তার। সুনীল নিশ্চয় চাইবেন আজও তার গোল থাকুক। আছেন মোভস। ৩৯ টি ট্যাকেল আছে। আজ নিশ্চয় চাইবেন দল এক হয়ে এগিয়ে যেতে। দুই দলই আজ তাদের সেরাটা দিতে চাইবে। কলকাতা এখন লীগ তালিকার শীর্ষে। মুম্বাইও চাইবে নতুন ভাবে জ্বলে উঠতে।

Thursday, 3 December 2015

৩-৩ ড্র এ দিল্লি এখন লীগ তালিকার তৃতীয় স্থানে

দিল্লি-৩
কেরালা-৩
 দিল্লির জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে ৩-৩ ড্র করে ১ পয়েন্ট নিয়েই খুশি থাকতে হল দিল্লি এবং কেরালাকে। প্রথমার্ধেই ৫ টি গোল আসে দিল্লির এই স্টেডিয়ামে। খেলার শুরুতেই সান্তোসের গোলের পর দিল্লি সমর্থক বোধহয় ভেবে নিয়েছিলেন আজ ৩ পয়েন্ট নিয়েই ফিরবেন তারা। কিন্তু কেরালার অসাধারণ এই ফুটবল সবাইকে অবাক করে দেয়।
খেলার শুরুতেই প্রথম গোল আসে ৭ মিনিটের মাথায়। দস সান্তোস গোল করে দলকে এগিয়ে দেয়। কেরালার এত গোল থাকার পরেও কেন তাদের পিছিয়ে থাকতে হল তা স্পষ্ট হয়ে উঠছিল। দলের রক্ষনভাগের ফাঁকফোকর চোখে পড়ছিল। খেলার প্রথম দিকে দিল্লি দখলে খেলা নিলেও হঠাৎ ই তাদের রক্ষন দাড়িয়ে যেতে থাকে। একের পর এক  গোল আসে প্রতিপক্ষের দিকে।  ৪০ মিনিটে আবার গোল আসে আদিল নবির দিক থেকে। এই গোল এর সময় বোঝা যায় ৩ পয়েন্টের জন্য কতটা মরিয়া কার্লোসের দল। খেলা যখন প্রায় অন্তিম লগ্নে, অনেকেই হয়ত ধরে নিয়েছিলেন জয় আসছে কেরালারই তখন বিশ্বমানের দুরপাল্লার শট আসে শেহেনাজের পা থেকে। এই গোলকে যদি এই মরসুমের অন্যতম সেরা গোল বলে বিবেচিত করা হয় নিশ্চয় কেউ অবেক হবেননা।
কেরালার আজ হারানোর কিছু ছিল না। চিন্তাবিহীন খেলাতেই নিজের সেরাটা দিল কেরালার দল। যে দলের রক্ষন ভাগ নিয়ে বারবার কথা উঠেছে, সেই দলই যে সমান ভাবে টক্কর দেবে তা বোঝা যায়নি। ৭ মিনিটে দিল্লির গোলের পরই খেলা সমতায় ফেরান ডগনাল।  এরপর আসে অসাধারণ আরেকটি গোল। বাঁ পায়ে ইনসুইং করে কোইম্ব্রার গোল মনে রাখার মত অবশ্যই। ৩৭ মিনিটের মাথায় জার্মানের গোল। এই গোল এর ক্ষেত্রে অবশ্যই আলাদা প্রশংসাপ্রাপ্য জার্মানের। দারুন চেস্ট ট্র্যাপ করে হাফ টার্নে যে  ভাবে গোল করলেন তা দেখার মত।  কেরালার গোলরক্ষক সন্দিপ নন্দী আজ ভাল খেলেছেন। ৩ টি গোলে প্রতিহত হলেও আরও কিছু গোল আসতেই পারত। অসাধারণ কিছু সেভ করেন তিনি।
আজ হলুদ কার্ডও দেখতে হয়েছে বেশ কিছু ফুটবলারকে। ঝিঙ্গাল, মেহেতাব, গ্রিন, আহমেদ, শেহেনাজও দেখেন হলুদ কার্ড। আজকের ম্যাচে হিরো অব দি ম্যাচ হন ক্রিস ডগনাল। এই ম্যাচে দারুন ভাবে জ্বলে উঠেছিলেন অনেকে।  ১৩ ম্যাচ খেলে দিল্লির কাছে ২২ পয়েন্ট। তালিকার ৩ নম্বরে তারা। কলকাতা এখনও তালিকার শীর্ষে। ১৪ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার ৭ এ খেলা শেষ করল কেরালা।



তালিকার প্রথমে যাওয়ার সুযোগ দিল্লির

 দিল্লির জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দিল্লি এবং কেরালা। দিল্লির কাছে রয়েছে ১২ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট। কেরালার পেয়েছে ১৩ ম্যাচ থেকে ১২ পয়েন্ট। যদিও এই ম্যাচের আগেই দিল্লি পৌঁছে গেছে সেমিফাইনালে। কেরালারও ফিরে আসার রাস্তা বন্ধ। কিন্তু ফুটবল বোধহয় একেই বলে। পাওয়ার বাইরেও যে আবেগ, ভালবাসা কাজ করে টা এই খেলায় সবসময় দেখা যায়।
সেমিফাইনালে পৌঁছে গেলেও দিল্লি নামবে সব শক্তি নিয়ে। আজ নজর থাকবে আদিঙ্গার উপর। ২৯ টা ভাল ট্যাকেল আছে তার দিক থেকে। থাকবেন গুস্তাভো দস সান্তোস। এই মরসুমে ২ টি গোল করেছেন। আজ ম্যাচ জিততে দলের রক্ষন ভাগের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। আক্রমন ভাগ সচল রাখতে হবে।
এই ম্যাচ থেকে কেরালার নতুন করে পাওয়ার কিছু নেই। কিন্তু আজকের ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়তে চাইবে কেরালা। দলের অন্যতম ভরসা মহম্মদ রফি থাকবেন। ইতিমধ্যে ৪ টি গোল করেছেন তিনি। থাকবেন পুলগা। নিশ্চয় আজ দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইবেন। নজর থাকবে সৌমিক দের দিকে।
টেরি ফেলান বলেন" আমরা আজ আমাদের সেরাটাই দেব। নতুন করে হারাবার কিছু নেই।"
দিল্লির কোচ কার্লোস বলেন " এখনই সব শেষ নয়। আমরা যদি মনে করি কাল ম্যাচ টা আমাদের দিকেই আছে তাহলে জেতা কঠিন হবে আমাদেরই। তাই সেরা দিয়ে জিততে হবে।"


Wednesday, 2 December 2015

হাড্ডাহাড্ডি লড়াই এর পরেও হারতে হল পুনেকে

নর্থইস্ট-৩
পুনে-২
গুয়াহাটির ইন্দিরাগান্ধী স্টেডিয়াম অসাধারণ এক সন্ধ্যা উপহার পেল। ৩-২ এ নর্থইস্টের এই জয় তাদের লক্ষের একধাপ এগিয়ে দিল। ম্যাচের প্রথম থেকেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ছিল দুই দলের মধ্যে। দুই দলের কাছেই আজকের জয় দরকার ছিল। ২ গোল করেও শেষ পর্যন্ত জয় আনতে পারল না পুনে। এরপর চেন্নাই এর সঙ্গে আরও একটা ম্যাচ থাকলেও কার্যত আজই বিদায় নিতে হল প্লাটের ছেলেদের।
ম্যাচের  ৫ মিনিটের মাথায় প্রথম গোল করেন নিকো ভেলেজ। আই এস এল এ ১৫০ তম গোল ভেলেজের পা থেকেই। নর্থইস্ট নেমেই ছিল ৩ পয়েন্টের জন্য। প্রথম থেকেই ফেরিয়াস রক্ষণকে বেশ আটোসাটো করেছিলেন। বলাই যায় গত ম্যাচের থেকে শিক্ষা নিয়ে দল কে নতুন ভাবে সাজিয়ে ছিলেন।  নিকো ভেলেজ যে কি অসাধারণ মাপের স্ট্রাইকার তা বুঝিয়ে দেন এই গোলে। গোল করতে গেলে যে মাপা সঠিক টাচ দরকার তা আবারও বুঝিয়ে দেন তিনি। এরপর ১৮ মিনিটের মাথায় আসে কামারার গোল। এখানেও ছিল দক্ষতার ছাপ।  ৪৩ মিনিটে বিকের যে গোল আসে তাতে পুনের গোলরক্ষক অরিন্দমের কিছুটা ভুল চোখে পরে। অরিন্দমের কিছুটা এগিয়ে এসে গোল আটকানো উচিত ছিল। তবে আজ নর্থইস্ট যে জ্বলে উঠেছে তা বলাই যায়।
পুনে আজ ভাল খেলেলও তাদের সেরা টা দিতে পারেনি। নর্থইস্টের প্রথম গোলের পরই ৮ মিনিটে বিলের গোলে সমতায় ফেরে প্লাটের ছেলেরা। তবে তারপর হঠাৎ ই দলকে কিছু অগোছালো হয়ে যায়। তবে বেশ কিছুটা সুযোগ আসে পুনের কাছে। কালু উচে দারুন একটা মাপা বল দেন লেনির কাছে। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি লেনি। শোরের কাছেও ভাল কিছু সুযোগ আসে কিন্তু গোলের ঠিকানা লেখা যায়নি। রজার জনসনকে দারুন ভাবে সপ্রতিভ লেগেছে। ভেলেজের দারুন তাচকে প্রতিহত করেন দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে মুতু আবার জ্বলে ওঠেন। একের পর এক চেষ্টা আসতে শুরু করে তার দিক থেকে। ৮৬ মিনিটের মাথায় তার বহু কাঙ্ক্ষিত গোল আসে। পরপর ৪ ম্যাচে ৪ টি গোল করেছেন আদ্রিয়ান মুতু। এই গোলে দক্ষতার ছোঁয়া ছিল। মুতু বুঝিয়ে দিয়েছেন কেন কোচ এখনও তার উপর ভরসা রাখেন। রেহেনেশ সহ গোটা ওয়ালকে দাড় করিয়েন দেন।
তবে আজ রেফারিকেও বেশ শক্ত হাতে খেলা পরিচালনা করতে হয়।  হলুদ কার্ড দেখেন অনেকে। লোপেজ, বিকে, সাইতাসেন, আরিয়াস, জোকোরা, কামারাও। অসাধারণ গোল, ঠিকানা লেখা পাস ঈর জন্য হিরো অব দি ম্যাচের তকমা পান নিকো ভেলেজ। আজকের পর ১৪ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট পেয়েছে নর্থইস্ট। ১৩ ম্যাচ খেলেন ১৫ পুনের। তবে আজকের জয়ের পরও প্রথম চারে থাকতে হলে নর্থইস্ট তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলের দিকে।



নর্থইস্ট কি এবার প্রথম চারে?


গুয়াহাটির ইন্দিরাগান্ধী স্টেডিয়ামে আর কিছুপরেই মুখোমুখি হতে চলেছে নর্থইস্ট ও পুনে। নর্থইস্টের এখনও পর্যন্ত ১৩ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট। অপরদিকে পুনের কাছে ১২ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট। এই ম্যাচ জিতলে নর্থইস্ট পৌঁছে যাবে সেমিফাইনালে। সেমিফাইনালে পৌছতে হলে ম্যাচ থেকে ৩ পয়েন্ট পেতেই হবে নর্থইস্টকে।
নর্থইস্ট আজ নিশ্চয় তাদের সব শক্তি নিয়ে মাঠে নামবে। মাঠে থাকবেন নিকোলাস ভেলেজ। এখনও পর্যন্ত তার কাছে ৪ টে গোল আছে। আজ নিকোলাস নিশ্চয় চাইবেন গোল আসুক। দলের অন্যতম ভরসা সিমাও। শুধু গোল নয় অসাধারণ অ্যাাসিস্ট আছে তার পা থেকে।
চেন্নাই এর দল এর সিমাও, নিকোলাস কে আটকাতে মাঠে থাকবেন রজার জনসন। ১১৩ টি ক্লিয়ারেন্স এসেছে তার দিক থেকে। আদ্রিয়ান মুতু আজ অবশ্যই জ্বলে উঠতে চাইবেন। এখনও পর্যন্ত ৩ টি গোল আছে। ৩৩ টি শট এসেছে তার পা থেকে।
নর্থইস্টের কোচ ফেরিয়াস বলেন " আমরা জানি আমাদের আগের সুযোগটা নষ্ট হয়েছে। কিন্তু এই সুযোগটা আমাদের কাজে লাগাতেই হবে। আর সেই কাজটা আমরা করবই।"
ডেভিড প্লাট জানান " আমরা আমদের সেরাটা হয়ত দিতে পারেনি। আজ সেরা পারফর্মেন্স দিতেই হবে। তবে আমাদের এখন অন্যদের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। "
 


Tuesday, 1 December 2015

৩-০ হারে ছিটকে গেল মুম্বাই

চেন্নাই-৩
মুম্বাই-০
চেন্নাই এর ঘরের মাঠে এখনও সেমিফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখল চেন্নাইন এফ সি। ৩-০ মুম্বাই কে পরাজিত করে ১৯ পয়েন্ট তালিকার চার নম্বরে। মুম্বাই ১৩ মাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে কার্যত বিদায় নিতে হল ইন্ডিয়ান সুপার লিগের এই মরসুম থেকে।
চেন্নাই মাঠে নেমেছিল জয়ের জন্য। ৯ মিনিটের মাথায় দলের হয়ে প্রথম গোল করেন মেন্ডোজা। ১-০ দল যখন এগোচ্ছে প্রতিপক্ষও চেষ্টা করছে ঠিক তখনই ১৬ মিনিটের জেজের পা থেকে আসে অসাধারণ গোল। যে কোন দলের পক্ষে ২-০ এগিয়ে থাকা কিছুটা স্বস্তির। দলকে আরও শান্তি দিয়ে ৪৫ মিনিটে মেন্ডির গোল। ৩-০ দলকে এগিয়ে প্রতিপক্ষের মনবলে চির ধরিয়ে দেয় চেন্নাই।
মুম্বাই এর দলে রক্ষনের বেশ অভাব ছিল। আক্রমন এর দিক থেকেও যে খুব শক্তিশালী ছিল তাও নয়। বেশ কছু সুযোগ আসলেও কাজে লাগাতে পারেনি অ্যাানেলকার ছেলেরা। সুনীল ছেত্রি শেষে একটা সুযোগ পেলেও তা গোল পাননি।
এই ম্যাচে হিরো অব দি ম্যাচের তকমা যায় মেন্ডির কাছে। অসাধারণ গোল। দলগত খেলা সব মিইয়ে এই সম্মান যায় তার কাছে। এই ম্যাচের পর তারা সেমিফাইনালে যায় কিনা তার জন্য নজর রকাহতে হবে নর্থইস্ট এবং পুনের দিকে।